ফ্রড চেকার কীভাবে কাজ করে

ধারণাটি সহজ: অচেনা কাউকে টাকা দেওয়ার আগে দেখে নিন অন্যরা তার দ্বারা প্রতারিত হয়েছেন কিনা।

১. খুঁজুন

সার্চ বক্সে ফোন নম্বর, বিকাশ/নগদ/রকেট নম্বর, ব্যাংক অ্যাকাউন্ট, ফেসবুক পেজ বা প্রোফাইলের লিংক, ওয়েবসাইট, ইমেইল বা নাম লিখুন। যেকোনো ফরম্যাট চলবে: +880, স্পেস, ড্যাশ, বাংলা অঙ্ক, পুরো লিংক।

ফলাফলে দেখাবে কতগুলো অনুমোদিত রিপোর্ট আছে, কতজন ভিন্ন মানুষ রিপোর্ট করেছেন এবং মোট কত টাকা হারানো গেছে।

২. ব্যাজ বুঝুন

রিপোর্ট করা হয়েছে — অন্তত একটি মডারেটর-অনুমোদিত রিপোর্ট আছে।

কমিউনিটি যাচাইকৃত — একাধিক ভিন্ন, ফোন-যাচাইকৃত ব্যক্তি রিপোর্ট করেছেন।

আপত্তি জানানো হয়েছে — মালিক রিপোর্টে আপত্তি জানিয়েছেন এবং মডারেটর যাচাই করছেন।

সমাধান হয়েছে — বিষয়টি মীমাংসা হয়েছে।

কোনো রিপোর্ট নেই — এখনো কেউ রিপোর্ট করেননি। এর মানে এটি নিরাপদ, তা নয়।

৩. প্রতারণা রিপোর্ট করুন

অ্যাকাউন্ট খুলুন, ইমেইল ও ফোন যাচাই করুন, তারপর পাঁচ ধাপের ফর্ম পূরণ করুন: প্রতারণার ধরন, প্রতারকের তথ্য, কী ঘটেছে, প্রমাণ এবং শেষ যাচাই। প্রতিটি ধাপে আপনার খসড়া সংরক্ষিত হয়।

৪. মডারেশন

প্রকাশের আগে একজন মডারেটর প্রতিটি রিপোর্ট যাচাই করেন, ব্যক্তিগত তথ্য সরিয়ে দেন এবং প্রয়োজনে আরও তথ্য চাইতে পারেন। রিপোর্ট প্রকাশিত হলে আপনাকে ইমেইলে জানানো হয়।

৫. গোপনীয়তা শুরু থেকেই

নম্বর কখনো পুরোটা দেখানো হয় না। যিনি নম্বরটি আগে থেকেই জানেন তিনি মিলিয়ে নিতে পারেন, কিন্তু কেউ সাইট থেকে নম্বর সংগ্রহ করতে পারে না।