নিরাপত্তা টিপস

বাংলাদেশের বেশিরভাগ প্রতারণা কয়েকটি ধরন অনুসরণ করে। এগুলো জানাই সবচেয়ে ভালো সুরক্ষা।

ফেসবুক ও অনলাইনে কেনাকাটা

অপরিচিত বিক্রেতাকে পুরো দাম অগ্রিম দেবেন না। ক্যাশ অন ডেলিভারি বেছে নিন, বা শুধু অল্প বুকিং টাকা দিন।

বাজারদরের চেয়ে অনেক কম দাম, "এখনই" টাকা দেওয়ার চাপ, এবং শুধু ব্যক্তিগত নম্বরে বিকাশ/নগদ নেওয়া পেজ — এগুলো সন্দেহজনক।

টাকা দেওয়ার আগে পেজের বয়স ও ইতিহাস দেখুন, এবং এখানে নম্বর ও লিংক খুঁজে দেখুন।

বিকাশ, নগদ ও রকেট

পিন বা ওটিপি কখনো কাউকে দেবেন না — কোনো এজেন্ট, প্রতিষ্ঠান বা কর্মকর্তা এটি চাইবে না।

"ভুল করে আপনার নম্বরে টাকা পাঠিয়েছি, ফেরত দিন" — এটি একটি পরিচিত কৌশল। অ্যাপে আসল ব্যালেন্স দেখুন এবং টাকা না পাঠিয়ে প্রদানকারীর হেল্পলাইনে যোগাযোগ করুন।

"এখনই কিছু না করলে অ্যাকাউন্ট বন্ধ হয়ে যাবে" বলে আসা কল প্রতারণা।

চাকরি, ঋণ ও বিনিয়োগ

প্রকৃত নিয়োগকর্তা ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্টে চাকরি বা ভিসার ফি নেয় না।

আগে "প্রসেসিং ফি" চাওয়া ঋণ প্রায় সবসময়ই প্রতারণা।

নিশ্চিত উচ্চ মুনাফা (যেমন মাসে ২০–৩০%) পঞ্জি ও ক্রিপ্টো স্কিমের সতর্কসংকেত।

প্রতারিত হলে

সব চ্যাট, স্ক্রিনশট ও রসিদ সংরক্ষণ করুন। সঙ্গে সঙ্গে আপনার মোবাইল ওয়ালেট প্রদানকারীকে নম্বরটি জানান — কখনো কখনো টাকা আটকে দেওয়া যায়।

আপনার থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করুন বা পুলিশের সাইবার ক্রাইম ইউনিটে যোগাযোগ করুন।

অন্যদের সতর্ক করতে এখানে রিপোর্ট করুন।